Category: GK

  • ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ BIOSPHERE RESERVE

    ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ BIOSPHERE RESERVE

    ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ BIOSPHERE RESERVE

    ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ BIOSPHERE RESERVE

    ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ
    BIOSPHERE RESERVE

    সংরক্ষিত জীবমণ্ডল বা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (Biosphere Reserve) হল এমন একটি সংরক্ষিত এলাকা যেখানে উদ্ভিদ এবং প্রাণীকে তার নিজস্ব পরিবেশে তাদের জীবনধারা অনুসারে সুরক্ষিত রেখে সেই এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা হয়, যেখানে মানুষকেও ওই পরিবেশের অংশ ধরা হয়। যেমন – পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। বর্তমানে ভারতে মোট ১৮-টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ বা সংরক্ষিত জীবমণ্ডল আছে। এই ১৮-টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে ১২-টি ইউনেস্কোর ম্যান এন্ড বায়োস্ফিয়ার (MAB) প্রোগ্রামের অন্তর্গত ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ক অফ বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বে প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

    1. PBR-এর full form কী? 
    ▶️ PBRএর full form হলো People’s Biodiversity Register
    2. WNBR-এর full form কী?
    ▶️ WNBR-এর full form হল “World Network of Biosphere Reserves”
    3. পশ্চিমঘাট পর্বতে কয়টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আছে?
    ▶️পশ্চিমঘাট পর্বতে তিনটি(নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ, অগস্ত্যমালাই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ, শিমলিপাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ) বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আছে।

    4. MAB  এর সদর দপ্তর  কোথায় অবস্থিত?
    ▶️ MAB  এর সদর দপ্তর  প্যারিসে অবস্থিত।
    5. ভারতের নবীনতম জীবমণ্ডল সংরক্ষণ অঞ্চল কোনটি?
    ▶️ ভারতের নবীনতম জীবমণ্ডল সংরক্ষণ অঞ্চল হলো মধ্যপ্রদেশের পান্না জীবমণ্ডল সংরক্ষণ, যা 2020 সালে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
    6. ভারতে কয়টি জীবমন্ডল সংরক্ষণ অঞ্চল আছে?
    ▶️ ভারতে মোট 18টি জীবমণ্ডল সংরক্ষণ অঞ্চল আছে।

    7. ভারতের প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কোনটি?
    ▶️ ভারতের প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ।
    8. ভারতের ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে কয়টি ইউনেস্কোর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার (MAB) প্রোগ্রামের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত?
    ▶️ 12টি ইউনেস্কোর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার (MAB) প্রোগ্রামের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
    9. বিশ্বে প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
    ▶️ বিশ্বে প্রথম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

    ভারতের ১৮টি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের বিবরণ:

    ১. সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ একটি পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এটি ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত প্রাণী হল বাঘ যা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার নামে বিখ্যাত। এখানেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি । সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ আয়তনের দিক থেকে তৃতীয় বৃহত্তম রিজার্ভ।
    ২. কাঞ্চনজঙ্ঘা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ এটি সিকিমে অবস্থিত। পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘাকে ঘিরে এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ বিস্তৃত। জেমু হিমবাহসহ মোট ১৮টি হিমবাহ এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে রয়েছে। সিকিমের অন্যতম পবিত্র মঠ, থোলুং মঠ এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে অবস্থিত। ভারতের নবীনতম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো কাঞ্চনজঙ্ঘা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ, যা ২০১৮ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।

    ৩. মানস বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ এখানে পাঁচটি জাতীয় উদ্যান এবং আঠারোটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান। এটি আসামে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। ভারতের নয়টি বাঘ সংরক্ষণ অভয়ারণ্যের মধ্যে একটি বাঘ সংরক্ষণ অভয়ারণ্য এখানে রয়েছে। রিজার্ভের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মানস নদীর নামে এই রিজার্ভের নামকরণ করা হয়েছে।
    ৪. ডিব্রু-সাইখোয়া বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ আসামে অবস্থিত দ্বিতীয় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো ডিব্রু-সাইখোয়া বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এটি ব্রহ্মপুত্র, ডিব্রু এবং লোহিত নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত । এই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য প্রাণী হলো বুনো ঘোড়া। মিসিং, ডুয়োরিস ইত্যাদি আদিবাসী উপজাতি সম্প্রদায়ের আবাসস্থল এই ডিব্রু-সাইখোয়া বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এটি  ভারতের সবচেয়ে ছোট বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ।

    দিহাং-দিবাং বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ

    ৫. দিহাং-দিবাং বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটি অরুণাচল প্রদেশে অবস্থিত। দিহাং (যা সিয়াং বা ব্রহ্মপুত্র নামেও পরিচিত) ও দিবাং নামে দুটি নদীর নামানুসারে এই রিজার্ভটির নামকরণ করা হয়েছে।
    ৬. শিমলিপাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ শিমলিপাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলায় অবস্থিত। সিমলিপালে প্রচুর পরিমাণে লাল রেশম তুলা গাছ জন্মে যা শিমুল গাছ নামে পরিচিত। এর থেকেই এই জাতীয় উদ্যানের নামকরণ করা হয়েছে। শিমলিপাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে রয়েছে ময়ূরভঞ্জ এলিফ্যান্ট রিজার্ভ, সিমিলিপাল  টাইগার রিজার্ভ, হাদগড় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, কুলডিহা  বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য।

    ৭. পাঁচমারি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ ২০০৯ সালে ইউনেস্কো এটিকে জীবমণ্ডল সংরক্ষণাগার হিসেবে ঘোষণা করে। এটি মধ্যপ্রদেশের সাতপুরা পর্বতমালায় অবস্থিত। এখানে পাচমাড়ি অভয়ারণ্য, বোরি অভয়ারণ্য এবং সাতপুরা জাতীয় উদ্যান রয়েছে। পাচমারি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো ধূপগড়।
    ৮. নকরেক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটি মেঘালয়ের গারো পাহাড়ে অবস্থিত। এটি ইন্দো-বার্মা জীববৈচিত্র হটস্পটের মধ্যে অবস্থিত। ভারতে পাওয়া একমাত্র এপ প্রজাতি ওয়েস্টার্ন হুলক গিবন এখানে দেখা যায়।

    BIOSPHERE RESERVE

    দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান এবং জীবন বিজ্ঞানের বিভিন্ন অধ্যায়ের উপর ভিডিও টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের You Tube চ্যানেল ফলো করুন

    ৯. মান্নার উপসাগর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ এটি বিশ্বের বৃহত্তম সামুদ্রিক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ এবং ভারতের প্রথম সামুদ্রিক বায়োস্পিয়ার রিজার্ভ। এটি তামিলনাড়ুতে অবস্থিত। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম সামুদ্রিক জীবমন্ডল সংরক্ষণাগার। মান্নার উপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ। বন্যার উপসাগর বিভিন্ন ধরনের বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী যেমন ডুগং (সামুদ্রিক গরু) ডলফিন ইত্যাদির আশ্রয়স্থল। একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান রামেশ্বরম যা রামানাথস্বামী মন্দিরের জন্য বিখ্যাত, এটি এখানকার পাম্বান দ্বীপে অবস্থিত।
    ১০. কচ্ছের রন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ কচ্ছের রন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ গুজরাটে অবস্থিত। এটি ভারতের বৃহত্তম বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এই অঞ্চলটি বিপন্ন ভারতীয় বন্য গাধার আশ্রয়স্থল। কচ্ছের রন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ গুজরাটে অবস্থিত। কচ্ছ বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ মূলত গ্রেট রান অফ কচ্ছ (GRK) এবং লিটল রান অফ কচ্ছ (LRK) এই দুটি প্রধান বাস্তুতন্ত্রের সমন্বয়ে গঠিত। কচ্ছের রনের একটি উল্লেখযোগ্য উপজাতি হলো রাবারি উপজাতি।

    নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ

    ১১. নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকের কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এটি  ভারতের প্রথম জীবমণ্ডল সংরক্ষণাগার যা ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটি দক্ষিণ ভারতের পশ্চিমঘাট এবং নীলগিরি পাহাড়শ্রেণীতে অবস্থিত। এটি ভারতের বৃহত্তম সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এই সংরক্ষিত অঞ্চলে ওয়ানাড বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, মুদুমালাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, বান্দিপুর জাতীয় উদ্যান রয়েছে।
    ১২. নন্দাদেবী বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ নন্দাদেবী বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ উত্তরাখণ্ডের গাড়োয়াল হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত। নন্দা দেবী পর্বত শৃঙ্গের (ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত) নামে এই বায়োসফিয়ার রিজার্ভের নামকরণ করা হয়েছে। এখানেই রয়েছে নন্দা দেবী জাতীয় উদ্যান এবং ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ার্স জাতীয় উদ্যান ।

    ১৩. গ্রেট নিকোবর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে গ্রেট নিকোবর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ অবস্থিত। এটি নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রেট নিকোবর দ্বীপের প্রায় 85% জুড়ে অবস্থিত। ক্যাম্পবেল বে জাতীয় উদ্যান এবং  গ্যালাথিয়া জাতীয় উদ্যান এখানে রয়েছে। আদিবাসী নিকোবারিজ এবং শোম্পেন জনগণ এই অঞ্চল বসবাস করে। একটি পূর্ব ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
    ১৪. অগস্ত্যমালাই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ তামিলনাড়ু ও কেরালা জুড়ে বিস্তৃত দ্বিতীয় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ হলো অগস্ত্যমালাই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ। এটি পশ্চিমঘাট পর্বতমালার দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত । এখানেই রয়েছে কেরালার পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভ, তামিলনাড়ুর শ্রীভিলিপুথুর গ্রিজল্ড কাঠবিড়ালি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং কালাক্কাদ-মুন্দনথুরাই টাইগার রিজার্ভ ইত্যাদি। অগস্ত্যমালাই বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে পেরিয়ার নদী।

    ১৫. আচনাকমার-অমরকন্টক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ আচনাকমার-অমরকন্টক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ  মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত। এটি আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত নদীগুলিকে পৃথক করেছে । নর্মদা, জোহিলা এবং শোন নদী এখান থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এটি মধ্যপ্রদেশের দ্বিতীয় এবং ছত্রিশগড়ের প্রথম জীব মণ্ডল সংরক্ষণাগার।
    ১৬. কোল্ড ডেসার্ট বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঃ এটি হিমাচল প্রদেশের পশ্চিম হিমালয়ে অবস্থিত। এর মধ্যে দিয়ে স্পিতি নদী প্রবাহিত হয়েছে। বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভটির মধ্যে রয়েছে পিন ভ্যালি জাতীয় উদ্যান , চন্দ্রতাল এবং সারচু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। এটি ভারতের নবীনতম জীবমণ্ডল সংরক্ষণ অঞ্চল।

    ভারতের বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ তালিকা 

    ভারতের আঠারোটি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের মধ্যে ১২ টি ইউনেস্কো ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার (MAB) প্রোগ্রাম তালিকার উপর ভিত্তি করে ওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ক অফ বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের একটি অংশ।

    বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঅবস্থানসালWNBR
    1. নীলগিরি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভতামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটক1986WNBR
    2. নন্দা দেবী বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভউত্তরাখণ্ড1988WNBR
    3. নকরেক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভমেঘালয়1988WNBR
    4. মান্নার উপসাগরীয় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভতামিলনাড়ু1989WNBR
    5. সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভপশ্চিমবঙ্গ1989WNBR
    6. মানস বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভআসাম1989
    7. গ্রেট নিকোবর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভআন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ1989WNBR
    8. সিমলিপাল বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভওড়িশা1994WNBR
    9. ডিব্রু-সাইখোয়া বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভআসাম1997
    বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঅবস্থানসালWNBR
    10. দিহাং-দিবাং বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঅরুণাচল প্রদেশ1998
    11. পাচমারি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভমধ্যপ্রদেশ1999WNBR
    12. কাঞ্চনজঙ্ঘা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভসিকিম2000WNBR
    13. অগস্থ্যমালা বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভতামিলনাড়ু ও কেরল2001WNBR
    14. আচনাকমার-অমরকণ্টক বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভমধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড়2005WNBR
    15. কচ্ছের গ্রেট রান বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভগুজরাট2008
    16. কোল্ড ডেসার্ট বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভহিমাচল প্রদেশ2009
    17. শেষাচলম পাহাড় বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভঅন্ধ্রপ্রদেশ2010
    18. পান্না বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভমধ্যপ্রদেশ2011WNBR
  • Important Awards in India ভারতের গুরুত্বপূর্ণ  পুরস্কার

    Important Awards in India ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার

    Important Awards in India ভারতের গুরুত্বপূর্ণ  পুরস্কার

    প্রিয় পাঠক আজকের পোস্টে আমরা ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক ও সামরিক পুরস্কারসমূহ নিয়ে আলোচনা করব।এছাড়াও খেলাধুলা থেকে শুরু করে সিনেমা, সাহিত্য, সাংবাদিকতা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য যে যে পুরস্কারগুলি প্রদান করা হয় সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা হবে।
    বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় এই বিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই আশা করি এই পোষ্টটি তোমাদের কাজে লাগবে। এই ধরনের আরও পোস্ট পেতে ওয়েবসাইটটি ফলো করতে থাকো।

    Highest Civilian & Gallantry Awards in India
    ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সর্বোচ্চ বেসামরিক ও সামরিক পুরস্কার

    সাহিত্য, বিজ্ঞান, সমাজসেবা, শিল্পকলা, খেলাধূলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে  ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য ভারতের এই সর্ব্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

    ভারতরত্ন: ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ভারতরত্ন 1954 সাল থেকে প্রদান করা হয়। শুধু ভারতীয় নাগরিক নয়, বিদেশি ব্যক্তিদেরও (পাকিস্তানের খান আব্দুল গফর খান, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা) এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। 1954 সালে প্রথম সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন ও চক্রবতী রাজা গোপালাচারীকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়।

    পদ্মবিভূষণ: পদ্মবিভূষণ হল ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ।
    পদ্মভূষণ: ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মভূষণ।
    পদ্মশ্রী: পদ্মশ্রী ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কার। উপরোক্ত চারটি পুরস্কারই 1954 সাল থেকে দেওয়া শুরু হয়।

    2025-এর পদ্ম পুরস্কার

    দেশের অন্যতম শীর্ষ অসামরিক সম্মান হল পদ্ম পুরস্কার। এবছর 7 জন পদ্মবিভূষণ, 19 জন পদ্মভূষণ এবং 113 জন পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন।এ বছরের মার্চ-এপ্রিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি এই পুরস্কার প্রদান করবেন।

    এ বছরের পদ্মবিভূষণ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শ্রী জগদীশ সিং খেহার, শ্রী দুভুর নাগেশ্বর রেড্ডি, শ্রীমতী কুমুদিনী রজনীকান্ত লখিয়া,শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ সুব্রামানিয়াম।বাকি 3 জন মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পুরস্কারপ্রাপক হলেন লেখক শ্রী এম টি বাসুদেবন নায়ার (মরণোত্তর), শ্রীমতী শারদা সিনহা এবং শ্রী ওসামু সুজুকি(জাপান)।

    এবছরের 113 জন পদ্মশ্রী প্রাপকের মধ্যে বাংলা থেকে 9 জন পদ্মশ্রী পাচ্ছেন। এরা হলেন গায়ক অরিজিৎ সিং, ঢাকবাদক গোকুল চন্দ্র দাস,নৃত্য শিল্পী ও অভিনেত্রী মমতাশঙ্কর, শিল্পপতি পবন গোয়েঙ্কা, শিল্পপতি সজ্জন ভজাঙ্কা, সাহিত্যিক-শিক্ষাকর্মী নগেন্দ্রনাথ রায়, কার্তিক মহারাজ, সমাজকর্মী বিনায়ক লোহানি, সরোদবাদক তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার

    সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার বীরত্ব পুরস্কার(Gallantry Award)

    এই পুরষ্কারগুলি ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব, সাহসী পদক্ষেপ বা আত্মত্যাগের জন্য ভারত সরকার দ্বারা প্রদান করা হয়।

    যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের বীরত্বের জন্য পরমবীরচক্র, মহাবীরচক্র এবং বীরচক্র প্রদান করা হয়।

    শান্তির সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের বীরত্বের জন্য অশোক চক্র, কীর্তি চক্র এবং শৌর্য চক্র    প্রদান করা হয়।

    যুদ্ধের সময়ের বীরত্ব পুরস্কার:

    যুদ্ধকালীন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই বীরত্ব পুরষ্কারগুলি প্রজাতন্ত্র দিবসে ঘোষণা করা হয়।
    পরমবীর চক্র: ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক  পুরস্কার পরমবীর চক্র। পরমবীর চক্রের প্রথম প্রাপক ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কুমায়ুন রেজিমেন্টের মেজর সোমনাথ শর্মা।
    মহাবীরচক্র: মহাবীরচক্র হল ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার ।
    বীরচক্র: ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার বীরচক্র।

    শান্তির সময়ের বীরত্ব পুরস্কার:

    শান্তির সময়ের বীরত্ব পুরস্কার: এই বীরত্ব পুরষ্কারগুলি স্বাধীনতা দিবসে ঘোষণা করা হয়।
    অশোক চক্র: শান্তির সময় দেওয়া ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক পদক অশোক চক্র।
    কীর্তি চক্র: কীর্তি চক্র হল ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার।শৌর্যচক্র: ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার শৌর্যচক্র

    জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার:

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে কোচ, ক্রীড়াবিদ এবং অন্যান্য ব্যক্তি বা সংস্থার অসামান্য কৃতিত্ব এবং অবদানকে সম্মান জানাতে ভারত সরকার বিভিন্ন পুরষ্কার প্রদান করে। যেমন রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার বা মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার, ধ্যানচাঁদ পুরস্কার, দ্রোণাচার্য পুরস্কার, অর্জুন পুরস্কার ইত্যাদি ।

    মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার: ভারতের সর্বোচ্চ অ্যাথলেটিক সম্মান মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার। আগে এটি রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরষ্কার নামে পরিচিত ছিল। আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

    ধ্যানচাঁদ পুরস্কার: ভারতের ক্রীড়া ক্ষেত্রে  আজীবন কৃতিত্বের জন্য ধ্যানচাঁদ পুরস্কারে সন্মানিত করা হয়।
    অর্জুন পুরষ্কার: অর্জুন পুরস্কার ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান । খেলাধুলায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
    দ্রোণাচার্য পুরস্কার: দ্রোণাচার্য পুরস্কার বিশিষ্ট কোচদের দেওয়া হয় যারা সফলভাবে খেলোয়াড় বা দলকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অসামান্য ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম করেছেন।


    রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া প্রচার পুরস্কার: রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া প্রচার পুরস্কারে বিভিন্ন কর্পোরেট সংস্থা (বেসরকারি এবং সরকারী খাত), ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ড, এনজিও এবং ক্রীড়া সংস্থাগুলিকে পুরস্কৃত করা হয় যারা খেলাধুলার প্রচার এবং বিকাশে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখেছে ৷
    মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ট্রফি: ক্রীড়া ক্ষেত্রে দেশের সেরা পারফরম্যান্সকারী বিশ্ববিদ্যালয়কে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ট্রফি প্রদান করা হয়।
    তেনজিং নোরগে জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার পুরস্কার: অ্যাডভেঞ্চার ক্ষেত্রে যুক্ত ব্যক্তিদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তেনজিং নোরগে জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার পুরস্কার  দেওয়া হয়।

    সাহিত্য পুরস্কার

    সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য কবি, লেখক, এবং সাহিত্যিকদের বিভিন্ন সম্মানে সন্মানিত করা হয়। একটি সেট। ভারতে সাহিত্য পুরস্কারগুলি হল জ্ঞানপীঠ পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি ফেলোশিপ, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার ইত্যাদি।

    জ্ঞানপীঠ পুরস্কার: এটি ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। এটি প্রথম শুরু হয়েছিল 1961 সালে। ভারতীয় সংবিধানে স্বীকৃত 22টি তফসিলি ভাষায় এবং 2013 সাল থেকে ইংরেজি ভাষায় সেরা সৃজনশীল সাহিত্য রচনার জন্য এই  পুরষ্কার দেওয়া হয়। বাংলা ভাষায় সাহিত্যকর্মের জন্যে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম জ্ঞানপীঠ পুরষ্কার পান। জ্ঞানপীঠ পুরষ্কার বিজয়ী প্রথম নারী হলেন আশাপূর্ণা দেবী।
    সাহিত্য একাডেমি ফেলোশিপ:  সাহিত্য পুরস্কারের দ্বিতীয় সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সম্মান।
    সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার: সাহিত্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার।
    রবীন্দ্র পুরস্কার: রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। ১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। জাগরী উপন্যাসের জন্য সতীনাথ ভাদুড়ী এবং বাঙ্গালীর ইতিহাস: আদি পর্বের জন্য  নীহাররঞ্জন রায়  ১৯৫০ সালে প্রথম রবীন্দ্র পুরস্কারে সন্মানিত হন।
    ব্যাস সম্মান: কে কে বিড়লা ফাউন্ডেশন দ্বারা 1991 সাল থেকে ব্যাস সম্মান প্রদান করা হয়। হিন্দি ভাষায় সাহিত্যকর্মের জন্য এই পুরষ্কারে ভূষিত করা হয়।
    সরস্বতী সম্মান: 1991 সাল থেকে কে কে বিড়লা ইন্ডাস্ট্রি সরস্বতী সম্মান প্রদান করে। ভারতীয় সংবিধানের VIII শ্রেণীতে উল্লিখিত ভারতের 22টি সরকারী ভাষার যেকোনো ভাষায় সৃজনশীল লেখার জন্য এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

    শান্তি পুরস্কার

    আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কার: মহাত্মা গান্ধীর নামানুসারে ভারত সরকার প্রতি বছর এই পুরস্কার প্রদান করে। ভারত সরকার মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর 125 তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে 1995 সালে আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কার চালু করেছিল। এটি অহিংসা এবং অন্যান্য গান্ধীবাদী পদ্ধতির মাধ্যমে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন এমন ব্যক্তি, সমিতি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
    ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার: ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সম্মানে ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট 1986 সাল থেকে প্রতি বছর শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ এবং উন্নয়নের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার প্রদান করে।পুরস্কারটি আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ এবং উন্নয়নে ব্যতিক্রমী অবদানের জন্য ব্যক্তি বা সংস্থাকে স্বীকৃতি দেয়।

    ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড

    দাদাসাহেব ফালকে অ্যাওয়ার্ড: ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক, দাদাসাহেব ফালকের স্মরণে ভারত সরকার 1969 সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রবর্তন করে।এটি দেশের সর্ব্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান। ভারতীয় চলচ্চিত্রে আজীবন অবদানের জন্য ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পুরস্কার প্রদান করা হয়।


    জাতীয় ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড: ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৪ সালে। পরে ১৯৭৪ সাল থেকে সারা ভারতের বিভিন্ন ভাষার সেরা চলচ্চিত্র, শিল্পী, কলাকুশলীদের সম্মান জানানোর জন্য এই পুরস্কার প্রদান শুরু করা হয়।


    ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড: ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রাচীন এবং বিখ্যাত চলচ্চিত্র পুরস্কার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড। 1954 সালে টাইমস গ্রুপের ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিন হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এই পুরস্কারগুলি চালু করে।

    মহিলা নারী শক্তি পুরস্কার:

    মহিলা নারী শক্তি পুরস্কার: নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক প্রতি বছর নারীর ক্ষমতায়ন , বিশেষ করে দুর্বল এবং প্রান্তিক নারীদের সেবার জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নারী শক্তি পুরস্কার প্রদান করে। 8 ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারী শক্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    শিশুদের জন্য পুরস্কার:

    শিশু প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক প্রতি বছর 26-এ ডিসেম্বর  বীর বাল দিবসে পুরস্কার প্রাপকের নাম প্রকাশ করে। এটি ভারতের শিশুদের জন্য সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। পুরস্কার প্রাপকের বয়ঃসীমা 5 থেকে 18 বছর।

    জাতীয় বাল শ্রী সম্মান: জাতীয় বাল শ্রী সম্মান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারের পর শিশুদের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সন্মান। ভারত সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের দ্বারা 9-16 বছর বয়সী সৃজনশীল শিশুদের এই সন্মান প্রদান করা হয়।

    মেডিকেল

    ডঃ বি সি রায় পুরস্কার: মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া দ্বারা প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ পুরস্কার ডঃ বি সি রায় পুরস্কার। এটি ১লা জুলাই জাতীয় ডাক্তার দিবসে প্রদান করা হয়।

    রাজীব গান্ধী জাতীয় সদ্ভাবনা পুরস্কার: ভারতের জাতীয় কংগ্রেস 1992 সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর স্মরণে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়। শান্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতার জন্য কাজ করা ব্যক্তি বা সংন্থাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    ভারতেন্দু পুরস্কার: ভারতেন্দু হরিশচন্দ্র পুরস্কার ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ, প্রকাশনা, প্রচার, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি ক্ষেত্রে হিন্দিতে মৌলিক ও সৃজনশীল লেখাকে উৎসাহিত করার জন্য ভারতেন্দু হরিশ্চন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে। 1983 সাল থেকে ভারতেন্দু হরিশ্চন্দ্র পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কার:

    ভারতে পারফর্মিং আর্টসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পুরস্কার হল সঙ্গীত নাটক একাডেমি পুরস্কার। এটি 1952 সালে ভারত সরকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই ব্যক্তিদের দেওয়া হয় যারা সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক এবং পুতুলশিল্পের ক্ষেত্রে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাদের এই পুরষ্কারে পুরস্কৃত করা হয়।]

error: Content is protected !!
Verified by MonsterInsights