Category: X-P. Sc

  • Boyle’s Law গ্যাসের আচরণ বয়েলের সূত্র

    Boyle’s Law গ্যাসের আচরণ বয়েলের সূত্র

    Boyle’s Law গ্যাসের আচরণ বয়েলের সূত্র

    Boyle’s Law গ্যাসের আচরণ বয়েলের সূত্র

    বহুবিকল্প ভিত্তিকপ্রশ্ন

    1. বয়েলের সূত্রটি আবিস্কৃত হয় – Ⓐ 1662 সালে Ⓑ 1762 সালে Ⓒ 1626 সালে Ⓓ 1726 সালে
    Ans: Ⓐ 1662 সালে
    2. বয়েলের সূত্র মেনে চলে – Ⓐ আদর্শ গ্যাস Ⓑ বাস্তব গ্যাস Ⓒ কোনো গ্যাসই নয় Ⓓ সব গ্যাস
    Ans: Ⓐ আদর্শ গ্যাস
    3. স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ দ্বিগুণ করলে আয়তন – Ⓐ একই থাকবে Ⓑ দ্বিগুন হবে Ⓒ চারগুণ হবে Ⓓ অর্ধেক হবে
    Ans: Ⓓ অর্ধেক হবে
    4.বয়েলের সূত্রের লেখচিত্রের প্রকৃতি হল – Ⓐ সরলরেখা Ⓑ উপবৃত্ত Ⓒ অধিবৃত্ত Ⓓ সমপরাবৃত্ত
    Ans:Ⓓ সমপরাবৃত্ত
    5. বেলুন ফোলানোর সময় বয়েলের সূত্রটি প্রযোজ্য নয় কারন – Ⓐ আয়তন স্থির নয় Ⓑ ভর স্থির নয় Ⓒ উষ্ণতা বাড়ে Ⓓ চাপ বাড়ে
    Ans: Ⓑ ভর স্থির নয়
    6. বয়েলের সূত্রানুযায়ী PV-P লেখচিত্রের প্রকৃতি কী রূপ?Ⓐ বৃত্তাকার Ⓑ উপবৃত্তাকার Ⓒ অধিবৃত্তাকার Ⓓ সরলরেখা Ans: Ⓓ সরলরেখা
    7. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ও চাপ সম্পর্কিত সূত্র আবিষ্কার করেন – Ⓐ চার্লস Ⓑ বয়েল Ⓒ অ্যাভোগাড্রো Ⓓ রেনো
    Ans: Ⓑ বয়েল
    8. বয়েলের সূত্রের ধ্রুবক হল – Ⓐ গ্যাসের উষ্ণতা Ⓑ গ্যাসের ভর Ⓒ গ্যাসের ভর ও উষ্ণতা Ⓓ গ্যাসের ভর ও আয়তন
    Ans: Ⓒ গ্যাসের ভর ও উষ্ণতা
    9. বয়েলের সূত্রের p-V লেখচিত্রের প্রকৃতি হল – Ⓐ সমপরাবৃত্ত Ⓑ উপবৃত্ত Ⓒ অধিবৃত্ত Ⓓ বৃত্ত
    Ans: Ⓐ সমপরাবৃত্ত
    10. বয়েলের সূত্রের pV – p লেখচিত্রের প্রকৃতি হল – Ⓐ সমপরাবৃত্ত Ⓑ মূলবিন্দুগামী সরলরেখা Ⓒ V অক্ষের সমান্তরাল Ⓓ p অক্ষের সমান্তরাল
    Ans: Ⓓ p অক্ষের সমান্তরাল
    11. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন দ্বিগুণ করলে ওর চাপ – Ⓐ একই থাকে Ⓑ দ্বিগুন হয় Ⓒ চারগুন হয় Ⓓ অর্ধেক হয়
    Ans: Ⓓ অর্ধেক হয়

    শূন্যস্থান পূরণ করোঃ

    1. বয়েলের সূত্রের p-V লেখচিত্রকে _____ লেখ বলে।
    Ans: সমোষ্ণ
    2. স্থির উষ্ণতায় কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুনফল _____।
    Ans: ধ্রুবক
    3. বয়েলের পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বায়ু-পাম্প তৈরি করেন _____।
    Ans: রবার্ট হুক
    4. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ চারগুণ করলে তার _____ চার ভাগের একভাগ হয়।
    Ans: আয়তন 
    5. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের চাপ ও আয়তন সংক্রান্ত সূত্রটি হল _____ সূত্র।
    Ans: বয়েলের 
    6. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের p বনাম 1/V লেখচিত্রের প্রকৃতি হল _____ সরলরেখা।
    Ans: মূলবিন্দুগামী

    সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নঃ

    1. বয়েলের সূত্রটি বিবৃতি করো।
    Ans: স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের চাপের সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।

    2. স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ও চাপের মধ্যে সম্পর্ক কি?
    Ans: স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ওই গ্যাসের চাপের সঙ্গে ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।

    3. স্থির উষ্ণতায় P-V লেখচিত্র কী রূপ?
    Ans: স্থির তাপমাত্রায় P-V লেখচিত্র একটি আয়তাকার অধিবৃত্ত।

    4. বয়েলের সূত্রানুসারে k এর মান কিসের উপর নির্ভর করে?
    Ans: বয়েলের সূত্রানুসারে k এর মান গ্যাসের ভর, তাপমাত্রা এবং এককের উপর নির্ভর করে।

    5. বয়েলের সূত্রে ধ্রুবক কী কী?
    Ans: বয়েলের সূত্রে ধ্রুবক দুটি হল (i) গ্যাসের ভর (ii) গ্যাসের উষ্ণতা

    6. বয়েলের সূত্রের সীমাবদ্ধতা লেখো।
    Ans: উচ্চচাপ ও নিম্ন তাপমাত্রায় বয়েলের সূত্রটি প্রযোজ্য নয়।

    7. সমোষ্ণ লেখ (isothermal curve) কি?
    Ans: বয়েলের সূত্র থেকে প্রাপ্ত P-V লেখকে সমোষ্ণ লেখ বলা হয়, কারণ স্থির উয়তায় এই লেখটি পাওয়া যায়।

    8. বয়েলের সূত্র অনুসারে সাধারণভাবে স্থির উষ্ণতায় গ্যাসের ওপর চাপ বাড়লে তার আয়তন কমে। কিন্তু বেলুনে ফুঁ দিয়ে চাপ বাড়ালে বেলুনটি আয়তনে বাড়ে কেন?
    Ans: বয়েলের সূত্রে ধ্রুবক রাশি দুটি হল গ্যাসের ভর ও গ্যাসের উষ্ণতা। এক্ষেত্রে উষ্ণতা ঠিক থাকলেও ফুঁ দেওয়ার ফলে বেলুনের মধ্যে গ্যাসের পরিমাণ বাড়ে। তাই বেলুনটি আয়তনে বাড়ে।

    দীর্ঘ উত্তরভিত্তিক প্রশ্নঃ
    Boyle’s Law গ্যাসের আচরণ বয়েলের সূত্র

    1. বয়েলের সূত্রটি বিবৃতি করো ও ব্যাখ্যা করো।
    Ans: স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের চাপের সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।
    বয়েল সূত্রের ব্যাখ্যাঃ
    নির্দিষ্ট উষ্ণতায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন P এবং চাপ V হলে, বয়েলের সূত্রানুযায়ী
    V ∝ 1/P – – – (যখন উষ্ণতা স্থির)
    বা, V = K/P – – – (যেখানে K একটি ধ্রুবক)
    বা, PV = K – এটিই হলো বয়েলের সূত্রের গাণিতিক রূপ।
    উষ্ণতা স্থির রেখে কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ যদি P1, P2 হয় এবং আয়তন যথাক্রমে V1, V2 হয় তাহলে বয়েলের সূত্রানুযায়ী,
    P1V1 =  P2V2 = K (ধ্রুবক)

    2. বয়েলের সূত্র থেকে গ্যাসের চাপ ও ঘনত্বের মধ্যে সম্পর্কটি প্রতিষ্ঠা করো।
    Ans: বয়েলের সূত্রানুযায়ী PV = K, যেখানে P হল গ্যাসের চাপ এবং V গ্যাসের আয়তন।
    ধরি, উষ্ণতা স্থির রেখে নির্দিষ্ট ভরের(M) কোনো গ্যাসের P1, P2 চাপে আয়তন V1, V2 এবং ঘনত্ব যথাক্রমে D1, D2
    আবার ঘনত্ব = ভর/আয়তন
    ∴ D1 = M/V1 এবং D2 = M/V2
    ⇒ V1 = M/D1 ⇒ V2 = M/D2
    বয়েলের সূত্রানুযায়ী,
    P1V1 =  P2V2
    ⇒ P1×M/D1 =  P2×M/D2
    বা, P1×1/D1 =  P2×1/D2
    P1/D1P2/D1 = ধ্রুবক
    ∴ P ∝ D

    3. বেলুনে ফু দিলে বেলুনের আয়তন বাড়ে এবং চাপও বাড়ে। এক্ষেত্রে কি বয়েলের সূত্রটি প্রযোজ্য?
    Ans: একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বেলুনে ফু দিলে বেলুনটির আয়তন বাড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে বেলুনের ভিতরের বায়ুর চাপও বাড়ে। বেলুনে ফু দিলে বেলুনের মধ্যেকার বায়ুর ভর স্থির থাকে না, বেড়ে যায়। তাই আয়তন ও চাপ দুইই বৃদ্ধি পায়। কিন্তু নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের ক্ষেত্রেই বয়েলের সূত্রটি প্রযোজ্য। তাই এক্ষেত্রে বয়েলের সূত্রটি প্রযোজ্য নয়।

    4. গভীর জলের তলদেশের থেকে বায়ুর বুদবুদ যখন উপরের দিকে ওঠে তখন তার আয়তন বাড়ে না কমে এবং কেন?
    Ans: গভীর জলের তলদেশের থেকে বায়ুর বুদবুদ যখন উপরের দিকে ওঠে তখন তার আয়তন বাড়ে।
    তরলের মধ্যে চাপ তরলের গভীরতার ওপর নির্ভর করে। গভীর জলের তলদেশ থেকে বায়ুর বুদবুদ যখন উপরের দিকে ওঠে তখন তার উপর জলের চাপ কমতে থাকে। বয়েলের সূত্র অনুযায়ী, উষ্ণতা স্থির থাকলে চাপ হ্রাস পেলে গ্যাসের আয়তন বৃদ্ধি পায়। জলের উষ্ণতা সর্বত্র সমান আছে বলে ধরে নিলে চাপ হ্রাসের সাথে সাথে ব্যস্তানুপাতিকভাবে বেলুনটির আয়তন ক্রমশ বৃদ্ধি পাবে। তাই গভীর জলের তলদেশ থেকে বায়ুর বুদবুদ যখন উপরের দিকে ওঠে তখন বেলুনটির আয়তন ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।

    5. বয়েলের সূত্র বিবৃতি করার সময় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের কথা উল্লেখ করা হয় কেন?
    Ans: বয়েলের সূত্র বিবৃতি করার সময় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের কথা উল্লেখ করা হয়। গ্যাসের আয়তন ও চাপ গ্যাসের ভরের উপর নির্ভর করে। গ্যাসের ভরের পরিবর্তন করলে গ্যাসের আয়তন ও চাপেরও পরিবর্তন হয়। তাই বয়েলের সূত্র বিবৃতি করার সময় নির্দিষ্ট ভরের কথা উল্লেখ করা হয়।

    গাণিতিক সমস্যাঃ

    1. প্রমাণ উষ্ণতা ও চাপে নির্দিষ্ট ভরবিশিষ্ট গ্যাসের আয়তন 500 cm3। উষ্ণতা স্থির থাকলে কত চাপে সেই গ্যাসের আয়তন 750 cm3 হবে?
    Ans: গ্যাসের প্রাথমিক চাপ (P1) = 76 সেমি Hg,
    প্রাথমিক আয়তন (V1) = 600 সিসি ,
    অন্তিম চাপ (P2) =  P (ধরি),
    অন্তিম আয়তন (V2) = 750 cm3
    যেহেতু উষ্ণতা স্থির
    ∴ বয়েলের সুত্রানুযায়ী,
    P1V1 = P2V2
    বা, P2 = P 1V1/V
    বা, P = 76 x 600/850
    ⇒ P = 4 x 60/5 = 48
    নির্নেয় চাপ 48 cm Hg

    2. 76 সেমি পারদস্তম্ভের চাপে কিছু পরিমাণ গ্যাসের আয়তন 400 সিসি। উষ্ণতা অপরিবর্তিত রেখে ওই গ্যাসের চাপ 30 সেমি পারদ করলে গ্যাসের আয়তন কত হবে?
    Ans: গ্যাসের প্রাথমিক চাপ (P1) = 76 সেমি Hg,
    প্রাথমিক আয়তন (V1) = 400 সিসি ,
    অন্তিম চাপ (P2) = 30 সেমি,
    অন্তিম আয়তন (V2) = V সিসি (ধরি)
     যেহেতু উষ্ণতা স্থির
    বয়েলের সুত্রানুযায়ী,
    P1V1 = P2V2
    বা, V2 = P 1V1/P2
    বা, V = 76 x 400/30
    ⇒ V = 3040/3 = 1013.33
    গ্যাসের আয়তন 1013.33 সিসি

    3. একটি বেলুনে 114 cm পারদ চাপে 2 liter বাতাস ভরা আছে। উষ্ণতা সমান রেখে বেলুনের ভেতরের বাতাসের আয়তন 4 liter করলে চাপের মান কত হবে?
    Ans: গ্যাসের প্রাথমিক চাপ (P1) = 114 cm Hg,
    প্রাথমিক আয়তন (V1) = 2 লিটার,
    অন্তিম চাপ (P2) = P cm Hg (ধরি) ,
    অন্তিম আয়তন (V2) = 4 লিটার
    যেহেতু উষ্ণতা স্থির
    বয়েলের সুত্রানুযায়ী,
    P1V1 = P2V2
    বা, P2 = P1V1/V2
    বা, P = 114 x 2/4 = 57
    বেলুনের চাপ 57 cm Hg.

  • দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    Class X Physical Science দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    এই post-এ দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল অধ্যায়ের প্রতিটি সূত্র পরপর দেওয়া হল। এতে তোমরা একজায়গায় সমস্ত সূত্রগুলো পেয়ে যাবে যা তোমাদের পরীক্ষা প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে। পরবর্তী post-এ প্রতিটি সূত্র নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং তার উপর বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া থাকবে।

    গ্যাসের আচরণ

    বয়েলের সূত্র:

    স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের চাপের সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।

    চার্লসের সূত্র:

    স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসের জন্য 0°C উষ্ণতায় গ্যাসের যে আয়তন হয় তার 1/273 অংশ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

    কেলভিন স্কেলের সাপেক্ষে চার্লসের সূত্রের বিকল্প রূপ:

    স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন তার পরম উষ্ণতাার সঙ্গে সমানুপাতিক হয়।

    অ্যাভোগ্যাড্রো সূত্র:

    একই উষ্ণতা ও চাপে সমআয়তন সকল গ্যাসে সমান সংখ্যক অনু থাকে।

    গে-লুসাকের চাপের সূত্র:

    স্থির আয়তনে 1°C উষ্ণতা বৃদ্ধি বা হ্রাসের জন্য যে-কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ 0°C উষ্ণতায় ওই গ্যাসের যে চাপ থাকে যথাক্রমে তার 1/273 অংশ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

    গে-লুসাকের গ্যাসায়তন সূত্র:

    একই উষ্ণতা ও চাপে গ্যাসীয় বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী বিক্রিয়ক গ্যাসগুলি তাদের আয়তনের সরল অনুপাতে বিক্রিয়া করে এবং বিক্রিয়াজাত পদার্থ যদি গ্যাসীয় হয়, তাহলে ঐ একই উষ্ণতা ও চাপে বিক্রিয়াজাত পদার্থের আয়তন বিক্রিয়কগুলির আয়তনের সঙ্গে সরল অনুপাতে থাকে।

    রাসায়নিক গণনা

    ভরের সংরক্ষণ সূত্র বা নিত্যতা সূত্র:

    যে-কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থসমূহের মোট ভর বিকারক পদার্থ সমূহের মোট ভরের সমান হয় অর্থাৎ বিক্রিয়ার ফলে মোট ভরের কোন পরিবর্তন হয় না।

    ভর ও শক্তির নিত্যতা সূত্র:

    কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার আগে ও পরে, পদার্থের ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ সর্বদা সমান থাকে। মহাবিশ্বে ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ ধ্রুবক ও অপরিবর্তনীয়।

    আলো

    প্রতিফলনের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব সর্বদা একই সমতলে থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র: আপাতন কোন ও প্রতিফলন কোন সর্বদা সমান হয়।

    প্রতিসরণের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপাতন বিন্দুতে দুই মাধ্যমের বিভেদতলের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব সর্বদা একই সমতলে থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র(স্নেলের সূত্র): দুটি নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর ক্ষেত্রে আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরন কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক হয়।

    র‍্যালের সূত্র:

    বিক্ষিপ্ত আলোর তীব্রতা(I) সংশ্লিষ্ট আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের(λ) চতুর্থঘাতের ব্যস্তানুপাতিক হয়।

    আমাদের YOUTUBE CHANNEL দেখার জন্য এখানে ক্লিক করো। 

    চল তড়িৎ

    কুলম্বের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: সমজাতীয় তড়িতাধান পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী তড়িতাধান পরস্পরকে আকর্ষণ করে।
    দ্বিতীয় সূত্র: দুটি স্থির বিন্দু আধানের মধ্যে কার্যকর আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল আধান দুটির পরিমাণের গুণফলের সমানুপাতিক এবং আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক হয়।  এই বল আধান দুটির সংযোজক রেখা বরাবর ক্রিয়া করে এবং এই বলের মান পারিপার্শ্বিক মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।

    ওহমের সূত্র:

    উষ্ণতা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনাে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রা, ওই পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতী হয়।

    তড়িৎপ্রবাহের তাপীয় ফল সংক্রান্ত জুলের সূত্রাবলী:

    ইংরেজ পদার্থবিদ জেমস্ প্রেসকট জুল 1841 খ্রিস্টাব্দে তড়িৎপ্রবাহের তাপীয় ফল সংক্রান্ত তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। সূত্রগুলি হল-
    (i) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রার (I) বর্গের সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর রােধ (R) ও তড়িৎপ্রবাহের সময় (t) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ I2. . . [যখন R এবং t ধ্রুবক]
    (ii) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর রোধের (R) সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রা (I) ও তড়িৎপ্রবাহের সময় (t) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ R. . . [যখন I এবং t ধ্রুবক]
    (iii) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহের সময়ের (t) সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর রােধ (R) ও তড়িৎপ্রবাহমাত্রা (I) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ t . . . [যখন R এবং I ধ্রুবক]

    অ্যাম্পিয়ারের সন্তরণ নিয়ম:

    যদি কোন সাঁতারু তড়িৎবাহী তার বরাবর তড়িৎপ্রবাহের অভিমুখে হাত ছড়িয়ে এমনভাবে সাঁতার কাটে যে তার মুখ সর্বদা চুম্বক শলাকার দিকে থাকে তাহলে চুম্বক শলাকার উত্তর মেরু তার বাঁ হাতের দিকে বিক্ষিপ্ত হবে।

    দক্ষিণ মুষ্টি নিয়ম:

    যদি কোন তড়িৎবাহী তারকে ডান হাতের মুষ্টি দিয়ে এমন ভাবে ধরা হয় যাতে বুড়ো আঙ্গুল তড়িৎ প্রবাহের অভিমুখ নির্দেশ করে তাহলে অন্যান্য আঙুলগুলি বলরেখা অভিমুখে তারটিকে ঘিরে রাখে। বলরেখা চৌম্বক ক্ষেত্র নির্দেশ করে এবং বলরেখা অভিমুখে চুম্বক শলাকার উত্তর মেরু বিক্ষিপ্ত হয়।

    ফ্লেমিং এর বাম হস্ত নিয়ম:

    বামহস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলি, মধ্যমা এবং তর্জনীকে পরস্পরের সঙ্গে সমকোণে রেখে প্রসারিত করলে যদি তর্জনি চৌম্বকক্ষেত্রের দিক এবং মধ্যমা তড়িৎপ্রবাহের দিক নির্দেশ করে, তবে বৃদ্ধাঙ্গুলি পরিবাহীর গতির অভিমুখ নির্দেশ করবে। একে মোটর নিয়মও বলে।

    তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ সংক্রান্ত ফ্যারাডের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: কোনো বদ্ধ কুণ্ডলীর সঙ্গে জড়িত চৌম্বক প্রবাহের পরিবর্তন হলে ঐ কুন্ডলীতে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয়, এই পরিবর্তন যতক্ষণ চলতে থাকে ততক্ষণ আবিষ্ট তড়িৎচালক বল বর্তমান থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র: আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান কুন্ডলীর সঙ্গে জড়িত চৌম্বক প্রবাহের পরিবর্তনের হারের সঙ্গে সমানুপাতিক হয়।

    শক্তির নিত্যতা সূত্র হিসেবে লেঞ্জের সূত্র:

    তড়িৎ চুম্বকীয় অবেশের ফলে সৃষ্ট আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহের অভিমুখ এমন হয় যে এটি নিজের সৃষ্টির কারনকে বাধা দেয়।

    পর্যায় সারণি

    ডোবেরাইনারের ত্রয়ী সূত্র:

    ধর্মের সাদৃশ্য আছে এমন প্রতি তিনটি মৌলের মাঝের মৌলটির পারমাণবিক গুরুত্ব মোটামুটিভাবে অপর মৌল দুটির পারমাণবিক গুরুত্বের গড়ের সমান হয়।

    নিউল্যান্ডসের অষ্টক সূত্র:

    মৌলগুলোকে ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ভর অনুসারে সাজালে, যে কোনো একটি মৌল হতে শুরু করলে প্রতি অষ্টম মৌলের পরে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

    মেন্ডেলিভের পর্যায় সূত্র:

    মৌলসমুহেযর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি মৌলগুলির ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক গুরুত্বের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্ত হয়।

    মেন্ডেলিভের সংশোধিত আধুনিক পর্যায় সূত্র:

    মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি মৌলগুলির ক্রমবর্ধমান পরমাণু ক্রমাঙ্কের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্ত হয়।

error: Content is protected !!
Verified by MonsterInsights