Author: TEAM PROSTUTI

  • IMPORTANT DATES JULY & AUGUST

    IMPORTANT DATES JULY & AUGUST

    IMPORTANT DATES JULY & AUGUST

    IMPORTANT DATES JULY & AUGUST

    বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে এই ধরনের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও জাতীয় দিন নিয়ে প্রায়শই প্রশ্ন থাকে। আজকে আমরা জুলাই ও আগস্ট মাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তারিখ নিয়ে আলোচনা করা হল। আশা করি এগুলো আপনাদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে।

    এটি আমাদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তারিখের উপর চতুর্থ প্রতিবেদন। প্রতিটি বিষয়ে আমরা আলাদা আলাদা ছকের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। আশা করি এই সকল তথ্য আপনাদের কাজে লাগবে। 

    IMPORTANT DATES JULY & AUGUST

    Important National and International Dates
    JULY & AUGUST

    জুলাই মাসের গুরুত্বপূর্ণ দিনসমূহ

    1st July National Doctors Day
    2nd JulyWorld UFO Day
    World Sports Journalist Day
    3rd JulyInternational Plastic Bag Free Day
    6th JulyWorld Zoonoses day
    7th JulyWorld Chocolate Day
    10th JulyGlobal Energy Independence Day promotes
    awareness for alternative forms of energy.
    11th JulyWorld Population Day
    12th JulyWorld Paper Bag Day
    National Simplicity Day
    15th JulyWorld Youth Skills Day
    17th JulyWorld Emoji Day
    World Day for International Justice 
    18th JulyNelson Mandela International Day
    20th JulyWorld Chess Day
    23rd JulyNational Broadcasting Day
    24th JulyNational Cousin  Day
    Income Tax Day
    26th July Kargil Vijay Diwas
    28th JulyWorld Hepatitis Day
    World Nature Conservation Day
    29th JulyInternational Tiger day
    30th JulyInternational Friendship Day
    31th JulyIncome Tax Return Day
    World Ranger Day

    JULY

    জুলাই মাসের গুরুত্বপূর্ণ দিনসমূহের বিস্তারিত বর্ণনা

    ▶️1st July National Doctors’ Day ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস’ দিনটি বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে পালন করা হয়।

    ▶️2nd July World Sports Journalist Day ১৯২৪ সালের এই দিনে প্যারিস অলিম্পিকের সময় ফ্রান্সে এআইপিএস (আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা) প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই দিনটিকে স্মরণে রেখেই প্রতি বছর ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস পালিত হয়।

    ▶️3rd July International Plastic Bag Free Day পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী উপাদান গুলির মধ্য অন্যতম হল প্লাস্টিক। এই উপাদান মানব সভ্যতাকে একধাক্কায় অনেকটা এগিয়ে দিলেও, উল্টো দিকে যোগ করেছে ভয়াবহ সব ঝুঁকি। আজ বিশ্বে দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ প্লাস্টিক বা প্লাস্টিকজাত সামগ্রী। পরিবেশ বাঁচাতেই বিশেষ ধরনের প্লাস্টিক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে পদক্ষেপ করেছে বিশ্বের একাধিক দেশ। যার মধ্যে রয়েছে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যাগও (Single Use Plastic Bag). এই নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই প্রতিবছর ৩ জুলাই পালিত হয় ইন্টারন্য়াশনাল প্লাস্টিক ব্যাগ বিরোধী দিবস (International Plastic Bag Free Day)।

    ▶️প্রতিবছর 6ই জুলাই বিশ্বজুড়ে বিশ্ব সংক্রামক দিবস (World Zonoses Day) দিবস পালন করা হয়। জুনোসিস হল একটি সংক্রামক রোগ যা প্রাণী থেকে মানুষে (বা মানুষ থেকে প্রাণীতে) ছড়িয়ে পড়ে।বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর 1885 খ্রিস্টাব্দের ৬ই জুলাই সফলভাবে রেবিস ভাইরাসের দ্বারা সৃষ্ট জলাতঙ্ক রোগের প্রথম টিকা তৈরি করেন। বিশ্ব জুনোসেস দিবসের লক্ষ্য হল জুনোটিক রোগের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রচার করা।
    ▶️11th July World Population Day দ্রুত বাড়ছে জনসংখ্যা। তার ভালো-মন্দ এবং অন্যান্য দিকগুলি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ১১ জুলাই ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ পালন করা হয়। এই বছরের থিম হল ‘৮ বিলিয়নের বিশ্ব: সকলের জন্য একটি স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ’।

    ▶️20thJuly World Chess Day বিশ্ব দাবা দিবসে সারা বিশ্বে এই খেলাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই দিনে International Chess Federation (FIDE) প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ▶️26th July Kargil Vijay Diwas প্রতি বছর ২৬ জুলাই, কার্গিল বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। ভারত ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, এই ঐতিহাসিক দিনটিতে।

    ▶️29th July International Tiger Day বাঘের জনসংখ্যা ক্রমাগত হ্রাসে হচ্ছে আর এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ‘বাঘ আমার অহংকার, রক্ষার দায়িত্ব সবার’ স্লোগান সামনে রেখে এই বছর ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
    ▶️

    বিভিন্ন দেশের সীমারেখা madhyamik-prostutI
    মাধ্যমিকের সব বিষয়ের জন্য App Madhyamik Prostuti ডাউনলোড করতে এখানে CLICK করুন

    SEPTEMBER ও OCTOBER মাসের কোণ কোণ দিনগুলি গুরুত্বপূর্ণ তা জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।

    IMPORTANT DATES JULY &
    AUGUST

    আগস্ট মাসের গুরুত্বপূর্ণ দিনসমূহ

    1st August World Wide Web Day
    World Breastfeeding Day
    6th AugustHiroshima Day
    7th AugustHappy Friendship Day
    National Handloom Day
    9th AugustNagasaki Day
    Happy International Day
    12th AugustInternational Youth Day
    World Elephant Day
    13th AugustInternational Left Hander’s Day
    15th AugustIndependence Day in India
    19th AugustWorld Photography Day
    20th July
    21th AugustWorld Senior Citizen Day
    20th AugustNational Unity Day
    World Mosquito Day
    23rd AugustNational Space Day
    26th AugustWomen’s Equality Day
    International Dog Day
    29th AugustNational Sports Day
    30th AugustSmall Industry Day

    IMPORTANT DATES JULY &
    AUGUST

    আগস্ট মাসের গুরুত্বপূর্ণ দিনসমূহের বিস্তারিত বর্ণনা

    ▶️1st August World Wide Web Day Webব্যবহার করে মানুষের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষমতাকে সন্মান জানানো হয় এই দিনটিতে।

    ▶️6th August Hiroshima Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন 1945 সালের 6ই অগস্ট জাপানের হিরোশিমায় ফেলা হয়েছিল প্রথম পরমাণু বোমা (লিটল বয়)। নিমেষে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল গোটা শহর। সেই ভয়াবহতাকে স্মরণ করতেই প্রতিবছর 6ই অগস্ট দিনটিকে হিরোশিমা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    ▶️9th August Nagasaki Day 1945 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে মার্কিন বাহিনী জাপানের হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা হামলার পর ঠিক তিন দিনের মাথায় দ্বিতীয় দফায় 9 আগস্ট আবারও নারকীয় হামলায় মেতে ওঠে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং জাপানের নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা (ফ্যাটম্যান) নিক্ষেপ করে। তাদের এই মিশনের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন সেন্টার বোর্ড টু’।

    ▶️21th August World Senior Citizen Day প্রতি বছর 21 অগস্ট সারা বিশ্বে এই দিনটি পালিত হয়। বয়স্ক মানুষের জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে প্রভাবিত করে এমন সমস্যাগুলি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।

    ▶️23rd August National Space Day 2023 সালের 23শে আগস্ট বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে তথা চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে পা রাখার দিনটিকে স্মরণ করে রাখার জন্য এই দিনটিকে জাতীয় মহাকাশ দিবস National Space Day হিসেবে ঘোষণা করা হয়।এই দিনটিতে চন্দ্রযান ৩ এ করে ল্যান্ডার বিক্রম রোভার প্রজ্ঞানকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করায়। যে জায়গায় রোভার প্রজ্ঞান অবতরণ করে তার নাম দেওয়া হয় “শিবশক্তি” পয়েন্ট যা পরে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন বা I.A.U. অনুমোদন করে।

    ▶️29th August National Sports Day প্রতিবছর  29শে আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসাবে পালন করা হয় । এই দিনেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন হকির জাদুকর ধ্যানচাঁদ । তার জন্মদিনকে স্মরণ করেই তাকে শ্রদ্ধা জানাতে 29 সে আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস পালন করা হয়।

    ▶️30th August National Unity Day or Rashtriya Ekta Diwas রাষ্ট্রীয় একতা দিবস (National Unity Day) হল ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করার জন্য ভারত সরকারের সূচনা করা একটি দিবস। প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর অর্থাৎ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকীতে এই দিনটি পালন করা হয়।
     

    আমরা আমাদের দেওয়া তথ্য নিয়মিত আপডেট করে থাকি।  তা সত্ত্বেও যদি অনিচ্ছাকৃত কোন ভুল থেকে থাকলে তা কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা তৎক্ষণাৎ তা আপডেট করে দেবো 

    • ওজোন স্তর Madhyamik Physical Science

      ওজোন স্তর Madhyamik Physical Science

      ওজোন স্তর

      দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় || মাধ্যমিক ভৌত বিজ্ঞান || দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞান || WBBSE Madhyamik Physical Science || WBBSE Class X Madhyamik Physical Science || দশম শ্রেণীর ওজোন স্তর

      ওজোন স্তর আজ দশম শ্রেণীর ভৌত বিজ্ঞানের পরিবেশের জন্য ভাবনা অধ্যায়ের ওজোন স্তরের ওপর অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর শেয়ার করা হলো। আশা করি এগুলো তোমাদের আসন্ন মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে লাগবে। মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভাল ফল করতে এই প্রশ্নগুলি তৈরি করে নাও।
      মাধ্যমিক ইংরাজি সহ অন্যান্য বিষয়ের উপর এই ধরনের প্রশ্নোত্তর পেতে আমাদের পেজটি নিয়মিত follow করতে থাকো।

      অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

      Q. একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাসের নাম লেখ।
      ANS: একটি জৈব গ্রিনহাউস গ্যাস হল মিথেন (CH4)

      Q. কে সর্বপ্রথম ওজোন গহ্বর লক্ষ্য করেন ?
      ANS: ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জো ফোরম্যান সর্বপ্রথম ওজোন গহ্বর লক্ষ্য করেন।

      Q. ওজোন স্তরের ঘনত্ব কোন এককে প্রকাশ করা হয় ? 
      ANS: ওজোন স্তরের ঘনত্ব ডবসন এককে প্রকাশ করা হয়।

      Q. বায়ুমণ্ডলের ওজোনের পরিমাণ মাপার জন্যে কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
      ANS: বায়ুর ওজোন মাপার যন্ত্রটির হলাে ডবসন স্পেকট্রোমিটার।

      Q. প্রকৃতিতে গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টিতে কোন্ গ্যাসের অবদান সবথেকে বেশি?
      ANS: কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের অবদান সবচেয়ে বেশি।

      Q. পৃথিবীর কোথায় ওজোনস্তরের ক্ষয় সর্বাধিক লক্ষ্য করা গেছে?
      ANS: দক্ষিণ গােলার্ধের আন্টার্কটিকা মহাদেশে ওজোনস্তরের ক্ষয় সর্বাধিক লক্ষ্য করা গেছে।

      Q. CO2 -এর তুলনায় CH4 -এর গ্রিনহাউস এফেক্ট  কত গুণ বেশি?
      ANS: কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2 ) এর তুলনায় মিথেনের (CH4 ) গ্রিনহাউস এফেক্ট  20,000 গুণ বেশি।

      সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

      Q. ওজোন গহর (Ozone Hole) কী? :
      ANS: প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তর পাতলা হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ওজোন গহ্বর বলে।

      Q. অপকারী ওজোন কাকে বলে? একে অপকারী বলে কেন ?
      ANS. * ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোনকে অপকারী ওজোন বলে।
      ** ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোন গ্রিন হাউস গ্যাস রূপে এবং বায়ু দূষক হিসাবে কাজ করে। স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন উপকারী হলেও ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোন অপকারী। তাই ট্রপােস্ফিয়ারের ওজোনকে অপকারী ওজোন বলে।

      Q. গ্রিন হাউস গ্যাসগুলি কোন্ রশ্মি শােষণ করে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে ?
      ANS: পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড রশ্মি শােষণ করে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।

      Q. গ্রিন হাউস প্রভাব কমানোের সর্বাপেক্ষা উপযােগী পদ্ধতি কী ?
      ANS: জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে অপ্রচলিত শক্তির বহুল ব্যবহারে গ্রিন হাউস প্রভাব কমানাে যায়।

      Q. গ্রিনহাউস গ্যাস কাকে বলে ?
      ANS: বায়ুমণ্ডলে যে সমস্ত গ্যাসীয় পদার্থের উপস্থিতির জন্য গ্রিনহাউস ক্রিয়া সংঘটিত হয় তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস বলে। যেমন- CO2 , CH4, CFC, O3 ইত্যাদি।

      Q. দুটি গ্যাসের নাম লেখাে যেগুলি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়। 
      ANS: অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন গ্যাস গ্রিন হাউস গ্যাস নয়।

      Q. CFC-এর পুরো কথাটি কী?
      ANS: CFC-এর পুরো কথাটি ক্লোরোফ্লুরো কার্বন।

      ওজোন স্তর
      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      ওজোন স্তর::
      স্ট্রাটোস্ফিয়ার এর মধ্যে অবস্থিত আশঁটে গন্ধযুক্ত O3 দ্বারা গঠিত স্তর, যা সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর UV রশ্মি শোষণ করে তার ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে পৃথিবীর প্রাণীকূলকে রক্ষা করে। ওজোন স্তরের ঘনত্বকে ডবসন একক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। বায়ুমন্ডলে ওজনের স্বাভাবিক গড় ঘনত্ব প্রায় 300 DU.

      Q. বায়ুমণ্ডলে ওজোনস্তর সৃষ্টি হয় কিভাবে?
      ANS: বায়ুমণ্ডলে ওজোন গ্যাস সৃষ্টি হয় দুটি অনুক্রমিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে। প্রথম বিক্রিয়ায় দ্বিপারমাণবিক অক্সিজেন অনু অতিবেগুনি  ফোটন কণার দ্বারা দুটি অক্সিজেন পরমানুতে বিয়োজিত হয়। বিক্রিয়াটি হল —  
      O2 —(uv/ফোটন(hv))—> O + O
      দ্বিতীয় বিক্রিয়ায় এই অক্সিজেন পরমাণুর সঙ্গে দ্বিপারমাণবিক অক্সিজেন অনু যুক্ত হয়, ফলে ওজন অণুর সৃষ্টি হয়। এটি একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া । বিক্রিয়াটি হল —
      2O2+2O —> 2O3 + তাপ

      Q. কী কী কারনে ওজোনস্তরের ক্ষয় (ধ্বংস ) হয়? অথবা
      ওজোন গহ্বর সৃষ্টি হয় কেন ?
      ANS: ওজোন স্তরের ক্ষয় প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট এই দুই কারণে ওজনস্তর ধ্বংস হয়।
      i) প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ওজনস্তরের ক্ষয়ঃ নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক রশ্মি শোষণ করে ওজোন অণু অক্সিজেন পরমাণুতে বিভাজিত হয়।
      O3 + hv ––> [O] + [O]
      বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রিক অক্সাইড-ও ওজোন অণুকে বিভাজিত করে।
      O3 + NO —> O2 + NO2
      ii) মনুষ্যসৃষ্ট কারণঃ স্ট্রাটোস্ফিয়ারে শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন জেট প্লেনের যাত্রায় জ্বালানির দহনে উৎপন্ন নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ(NOx) এবং ট্রপোস্ফিয়ার থেকে ব্যাপন প্রক্রিয়া আগত  ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) যৌগসমূহ ওজোন স্তরের ক্ষয় সাধন করে। 
      ওজোন স্তর ধ্বংসে নাইট্রোজেনের অক্সাইড সমূহের ভূমিকাঃ প্রকৃতিতে দূষণের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলো ওজোনকে (O3) অক্সিজেনে(O2) বিয়োজিত করে। ফলে ওজোন স্তর পাতলা হয় ।

      ওজোন স্তর
      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. ওজোন স্তর ধ্বংসে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন এর ভূমিকা লেখ।
      ANS: ওজোন স্তর ধ্বংসে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন এর ভূমিকাঃ বর্তমানে শিল্পে প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) ওজোন স্তরের ক্ষতি সাধন করছে। নিষ্ক্রিয় ও অদাহ্য হওয়ায় এই CFC গ্যাসগুলি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে স্ট্রাটোস্ফিয়ারে পৌছে ওজোনস্তর ধ্বংসে অনুঘটক রূপে কাজ করে। স্ট্রাটোস্ফিয়ারে CFC অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে বিভাজিত হয়ে সক্রিয় CI (মুক্তমূলক) উৎপন্ন করে। এটি ওজোনকে(O3) ভেঙে অক্সিজেনে(O2) বিয়ােজিত করে।
      CFCl3 —(UV)—> CFCl2 + Cl, 
      Cl + O3 —> ClO + O2,
      ClO + O3 — Cl + 2O2

      Q. ওজোনস্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি লেখ।
      ANS: ওজোনস্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব
      পৃথিবীকে ঘিরে থাকা ওজোনস্তরের ক্ষতি হওয়ার ফলে বেশি পরিমাণে অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে। তার ফলে যে ক্ষতিকারক প্রভাবগুলো দেখা যাচ্ছে তা হল — (I) মানুষের উপর প্রভাব – মানুষের ত্বকে ক্যান্সার, চোখে ছানি পড়া, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে  
      (II) প্রাণীর ওপর প্রভাব — নিম্ন শ্রেণীর প্রানীর বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে, প্রাণীর শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। 
      (III) উদ্ভিদের ওপর প্রভাব — কয়েক শ্রেণীর উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়,  উদ্ভিদের পাতা, ফল ও বীজের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়
      (IV) পরিবেশের উপর প্রভাব — পৃথিবীতে উষ্ণতার বৃদ্ধি ঘটবে।

      ওজোন স্তর
      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. গ্রিনহাউস কি?
      ANS: গ্রীন হাউস হল কাচের দেওয়াল ও ছাদযুক্ত এক বিশেষ ধরনের ঘর যার ভেতরে শীতপ্রধান দেশে সবজি ও ফল চাষ করা হয়। দিনের বেলা সূর্য থেকে আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোক তরঙ্গ খুব সহজেই ঐ কাচ ভেদ করে ঘরে প্রবেশ করে কিন্তু প্রতিফলিত হয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্টও আলোক তরঙ্গে পরিণত হয়। ঐ দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট প্রতিফলিত রশ্মি পুনরায় কাচ ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না ফলে ঘরের অভ্যন্তরে সর্বদা উষ্ণ থাকে।

      Q. গ্রীন হাউস এফেক্ট কাকে বলে?
      ANS: বায়ুমন্ডলের গ্যাসীয় পদার্থ সমূহ সূর্য থেকে আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলোকে পৃথিবীতে প্রবেশ করতে বাধা দেয় না কিন্তু পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত দীর্ঘ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অবলোহিত রশ্মি শোষণ করে উত্তপ্ত হয়। বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাস দ্বারা শোষিত এই তাপের কিছুটা পৃথিবীপৃষ্ঠে ফিরে আসে হলে ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয়। এই প্রাকৃতিক ঘটনাকে সবুজ ঘর প্রভাব বা গ্রীন হাউস এফেক্ট বলে।

      Q. গ্রীন হাউস গ্যাসগুলো কি কি ?
      ANS. গ্রীন হাউস গ্যাস গুলো হল – কার্বন-ডাই-অক্সাইড(CO2) জলীয় বাষ্প, মিথেন(CH4), CFC, ওজোন(O3)এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ ।
      *** N2, O2 গ্রীন হাউজ গ্যাস নয় ।

      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্লোবালওয়ার্মিং-এর সম্পর্ক লেখাে  
      ANS: বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত যে সকল গ্যাস দীর্ঘতরঙ্গ যুক্ত অবলােহিত আলাে শােষণ করে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটায়, তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়। যেমন – CO2 , CH4, CFC, O3 ইত্যাদি।   প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় উষ্ণতা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাচ্ছে যাকে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলা হয়। অর্থাৎ গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর কারণ।

      Q. বিশ্ব উষ্ণায়ন বলতে কী বােঝায়? 
      ANS. বিশ্ব উষ্ণায়ন: মানুষের বিবিধ ক্রিয়াকলাপের ফলে ট্রপােস্ফিয়ারে গ্রিন হাউস গ্যাসগুলির পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে । ফলে সারা বিশ্বজুড়ে বায়ুমণ্ডলের গড় উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। এই ঘটনাকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বলে।বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রতিবছর প্রায় 0.05°C করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

      Q. গ্রিন হাউস প্রভাব কীভাবে জীব জগতের অস্তিত্ব রক্ষায় সাহায্য করে?
      ANS. গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা সমগ্র জীবকুলের বেঁচে থাকার অনুকূল হয় এবং এই প্রভাবের জন্য দায়ী গ্যাসগুলি যদি বাতাসে না থাকতাে তবে পৃথিবী পৃষ্ঠের গড় উষ্ণতা –30°C এর কাছাকাছি হতাে। ফলে জীব জগতের অস্তিত্বই থাকতাে না। সেই দিক থেকে বলতে গেলে গ্রিন হাউস প্রভাব জীবজগতের ও উদ্ভিদজগতের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। 

      ওজোন স্তর
      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. গ্রীন হাউস এফেক্ট বৃদ্ধির প্রভাবগুলি লেখ।
      ANS. গ্রীন হাউস এফেক্ট বৃদ্ধির প্রভাব –
      (i) পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ার কারণে হিমবাহের গলনের ফলে সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল গুলির জলমগ্ন হবে
      ii)  উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে নানা অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তন হবে যার ক্ষতিকর প্রভাব কৃষিক্ষেত্রে এবং জীবজগতের উপর পড়বে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপর্যয় এর সংখ্যা বাড়বে
      iii) উষ্ণতা বাড়ার ফলে মহামারী সৃষ্টিকারী রোগ-জীবাণুর অনুকূল আবহাওয়া সৃষ্টি হবে iv)  উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে মরু অঞ্চলের সম্প্রসারণ ঘটবে
      v) অধিক বাষ্পীভবনের ফলের মেঘের ছাউনি প্রসারিত হবে ফলে কোথাও অতিবৃষ্টি এবং কোথাও বা অনাবৃষ্টির দেখা পাওয়া যাবে 

      Q. বিশ্ব  উষ্ণায়নের জন্য দায়ি CH4 এবং N2O এর উৎস কী?
      ANS. * CH4 এর উৎস: পচা জৈব আবর্জনা, গবাদি পশুর মল, কিংবা ধানক্ষেত থেকে নির্গত CH4 গ্যাস
      ** N2O এর উৎস: কৃষি জমিতে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার ও দাবানল ।

      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. বিশ্ব উষ্ণায়ন কমানোর উপায়গুলি লেখ।
      অথবা গ্রিন হাউস প্রভাব নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলি লেখাে। 
      ANS. বিশ্ব উষ্ণায়ন কমানোর উপায়ঃ বিশ্ব উষ্ণায়ন কমাতে হলে গ্রীন হাউস গ্যাস উৎপন্ন হওয়া কমাতে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলো নিতে হবে —
      i) জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা পেট্রোলিয়াম ইত্যাদির ব্যবহার কমিয়ে অপ্রচলিত শক্তি (সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদি) বেশি পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে।
      ii) জীবাশ্ম জ্বালানি দ্বারা চালিত যানবাহনের ব্যবহার কমাতে হবে তার পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎ চালিত গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে হবে হবে।
      iii) অরণ্য ধ্বংস হ্রাস এবং বৃক্ষরোপণ ও বনসৃজন করে অরণ্যের আচ্ছাদন বৃদ্ধি করতে হবে
      iv) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন বা CFC গ্যাসের উৎপাদন এবং ব্যবহার বন্ধ করতে হবে
      v) নাইট্রোজেনঘটিত অজৈব সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এর ফলে বাতাসে N2O এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
      vi) জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং মানুষকে বিশ্ব উষ্ণায়নের কুফল সম্বন্ধে সচেতন করতে হবে।

      ওজোন স্তর
      রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর

      Q. গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে পরিবেশের উপর যে প্রতিকূল প্রভাব পড়েছে তা আলােচনা করাে।
      ANS. গ্রিন হাউস প্রভাবের ফলে বিশ্বউষ্ণায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে পরিবেশের উপর সুদূরপ্রসারী যে ক্ষতিকারক প্রভাব পড়বে সেগুলি হলাে–
      (i) সমুদ্র জলের পরিবর্তন: মেরু অঞ্চলের ও বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলের জমা বরফ গলে সমুদ্রের জলতলের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখিয়েছেন যে 2050 সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে যে সমুদ্র উপকূলের অনেক স্থলভাগ সমুদ্রের তলায় চলে যাবে।
      (ii) জলবায়ুর পরিবর্তন : বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে উষ্ণমণ্ডলের দেশগুলিতে গ্রীষ্ম ঋতু দীর্ঘায়িত হবে ও মেরু অঞ্চলের শীত বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বজুড়ে বৃষ্টিপাত চক্র বিঘ্নিত হবে। ফলে অসময়ে বন্যা, খরা, ঝড়ঝঞ্ঝা ইত্যাদি হবে।
      (iii) ফসলের ওপর প্রভাব : অতিবৃষ্টি ও অনাবৃষ্টির প্রভাবে ফসল উৎপাদন হ্রাস পাবে।
      (iv) পরিবেশের ওপর প্রভাব : দাবানল বৃদ্ধি পাবে, পানীয় জলের যােগান কম হবে ও পরিবেশের বাস্তুতন্ত্র বিঘ্নিত হবে।
      (v) স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব : উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে জীবাণু সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাইরাস ও অন্যান্য ব্যাকটেরিয়াঘটিত রােগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাবে ফলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গি, হাঁপানি, অ্যালার্জী বৃদ্ধি পাবে।

    error: Content is protected !!
    Verified by MonsterInsights