Author: TEAM PROSTUTI

  • Nobel Prize ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল পুরস্কারজয়ী

    Nobel Prize ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল পুরস্কারজয়ী

    Nobel Prize ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল পুরস্কারজয়ী

    Nobel Prize ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল পুরস্কারজয়ী

    পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক পুরস্কার হল নোবেল পুরস্কার । ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে আলাদাভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারটি সাহিত্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, শান্তি এবং অর্থনীতি এই ছয়টি ক্ষেত্রে প্রদান করা হয়।  তবে ষষ্ঠ পুরস্কার হিসাবে অর্থনীতিকে যুক্ত করা হয় 1968 সালে। নোবেল পুরস্কার 1901 সালে প্রবর্তিত হলেও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয় 1969 সালে। শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার বাদে বাকি পা্ঁচটি ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় সুইডেনের স্টকহোম থেকে। শুধুমাত্র শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয় নরওয়ের অসলো থেকে।

    বিখ্যাত সুইডিশ বিজ্ঞানী, ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবী আলফ্রেড বার্নহার্ড নোবেলের 1895 সালে করে যাওয়া একটি উইল অনুসারে এই পুরস্কার চালু করা হয় এবং তার নামে নোবেল পুরস্কারের নামকরণ করা হয়।

    নোবেল পুরস্কারপ্রাপক মনোনয়নকারী সংস্থাঃ

    ১. সুইডেনের রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অফ সায়েন্সেস পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা এবং অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম নির্বাচন করে।
    ২. সুইডেনের সুইডিশ একাডেমি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রাপকের নাম নির্বাচন করে।
    ৩. সুইডেনের কেরোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রাপকের নাম নির্বাচন করে।
    ৪. শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে নরওয়ের নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।

    একনজরে 2025 সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপক

    বিষয়নামদেশক্ষেত্র
    চিকিৎসা বিজ্ঞানমেরি ই. ব্রাঙ্কো
    ফ্রেড র‍্যামসডেল
    শিমন সাকাগুচি
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    জাপান
    পদার্থবিদ্যাজন ক্লার্ক
    মিশেল এইচ. ডেভোরেট
    জন এম. মার্টিনিস
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    রসায়নবিদ্যাসুসুমু কিতাগাওয়া
    রিচার্ড রবসন
    ওমর এম. ইয়াগি
    জাপান
    যুক্তরাজ্য
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    সাহিত্যলাজলো ক্রাসনাহরকাইহাঙ্গেরি
    শান্তিমারিয়া কোরিনা মাচাদোভেনেজুয়েলা
    অর্থনীতিজেয়েল মকিয়ার,
    ফিলিপ আগিওন,
    পিটার হাউইট
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    ফ্রান্স
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

    একনজরে 2024 সালের নোবেল পুরস্কার প্রাপক

    বিষয়নামদেশক্ষেত্র
    চিকিৎসা বিজ্ঞানভিক্টর অ্যামব্রোস
    গ্যারি রুভকুন
    U.S.A.
    U.S.A.
    মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার
    পদার্থবিদ্যাজন হপফিল্ড
    জিওফ্রে হিন্টন
    U.S.A.
    Kanada
    কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক
    রসায়নবিদ্যাডেভিড বেকার
    ডেমিস হাসাবিস
    জন এম. জাম্পার
    (U.S.A.)
    (U.K.)
    (U.S.A.)
    প্রোটিন গঠন
    সাহিত্যহান কাংদক্ষিণ কোরিয়ার
    শান্তিনিহন হিডানকিও।জাপান
    অর্থনীতিড্যারন অ্যাসেমোগ্লু, সাইমন জনসন, জেমস এ রবিনসনতুর্কি-আমেরিকান
    ব্রিটিশ মার্কিন
    ব্রিটিশ মার্কিন

    নোবেল পুরস্কার সংক্রান্ত কিছু তথ্যঃ

    ✴️ বিখ্যাত রসায়ন বিজ্ঞানী আলফ্রেড বার্নহার্ড নোবেল 21শে অক্টোবর, 1833 সালে সুইডেনের স্টকহোমে জন্মগ্রহণ করেন।
    ✴️ আলফ্রেড বার্নহার্ড নোবেলের উল্লেখযোগ্য আবিস্কার হল ডিনামাইট, নাইট্রোগ্লিসারিন, জেলগ্লাইট ইত্যাদি।
    ▶️ ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে আলাদাভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

    ✴️ প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় 1901 সালে।
    ✴️ 1941 থেকে 1943 সালে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি।
    ▶️ দুইবার করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন 1. মেরি কুরি (পদার্থবিদ্যা, রসায়ন) 2. লাইনাস পলিং (রসায়ন, শান্তি) 3. কার্ল ব্যারি শার্পলেস (রসায়ন, রসায়ন) 4. ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার (রসায়ন, রসায়ন) 5. জন বারডিন (পদার্থবিদ্যা, পদার্থবিদ্যা)

    Nobel Prize ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল পুরস্কারজয়ী

    যে ছয়টি ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়ঃ

    ১. সাহিত্য ২. পদার্থবিদ্যা
    ৩. রসায়নবিদ্যা ৪. চিকিৎসা বিজ্ঞান
    ৫. শান্তি ৬. অর্থনীতি

    একনজরে প্রথম নোবেল পুরস্কার প্রাপক

    বিষয়নামদেশসময়ক্ষেত্র
    চিকিৎসা বিজ্ঞানএমিল অ্যাডলফ ভন বেহরিংজার্মানি1901ডিপথেরিয়া রোগের চিকিৎসা
    পদার্থবিদ্যাউইলহেম কনরাড রন্টজেনজার্মানি1901এক্স-রে
    রসায়নবিদ্যাজ্যাকবাস হেনরিকাস ভ্যান’ট হফনেদারল্যান্ড1901রাসায়নিক গতিবিদ্যা এবং অসমোটিক চাপে
    সাহিত্যসুলি প্রুধোমেফ্রান্স1901
    শান্তিহেনরি ডুনান্ট ফ্রেডেরিক প্যাসিসুইজারল্যন্ড
    ফ্রান্স
    1901
    অর্থনীতিরাগনার ফ্রিশ
    য়্যান টিনবারগেন
    নরওয়ে
    নেদারল্যান্ডস
    1969

    ✴️ এশিয়া মহাদেশ থেকে প্রথম কে নোবেল পুরস্কার পান?
    Ans: এশিয়া মহাদেশ থেকে 1913 সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
    ✴️ বিজ্ঞানে এশিয়া মহাদেশে প্রথম কে নোবেল পুরস্কার পান?
    Ans: 1930 সালে চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন বিজ্ঞানে এশিয়া মহাদেশে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান।
    ▶️ চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রথম এশিয় নোবেল জয়ী কে?
    Ans: প্রথম এশিয় হিসাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রথম নোবেলজয়ী হলেন হরগোবিন্দ খোরানা।

    ✴️ এশিয়ার কোন মহিলা প্রথম নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
    Ans: মাদার টেরেজা প্রথম নারী যিনি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
    ✴️ অর্থনীতিতে প্রথম এশিয়ার কে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
    Ans: অমর্ত্য সেন প্রথম এশিয়ান যিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
    ▶️ সবচেয়ে কম বয়সে কে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
    Ans: সবচেয়ে কম বয়সে পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাঈ (১৭ বছর বয়স) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

    ভারত ও ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল জয়ী

    ভারতীয় নোবেল বিজয়ীদের তালিকা

    ক্ষেত্রপ্রাপকসময়
    সাহিত্যরবিন্দ্রনাথ ঠাকুর1913
    পদার্থবিদ্যাচন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন1930
    শান্তিমাদার টেরিজা1979
    অর্থনীতিঅমর্ত্য সেন1998
    অর্থনীতিকৈলাশ সত্যার্থী2014

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত নোবেল বিজয়ীদের তালিকা

    ক্ষেত্রপ্রাপকসময়নাগরিক
    চিকিৎসা বিজ্ঞানহরগোবিন্দ খোরানা1968U.S.A.
    পদার্থবিদ্যাসুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর1983U.S.A.
    রসায়নবিদ্যাবেঙ্কটরামন রামকৃষ্ণন2009U.S.A.
    অর্থনীতিঅভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়2019U.S.A.

    ✴️ প্রথম কোন মহিলা নোবেল পুরস্কার পান? 
    Ans: মেরি কুরি এবং একমাত্র মহিলা যিনি দুটি নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন।
    ✴️নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রতি বছর কোন দেশে প্রদান করা হয়? Ans: নরওয়ের অসলো থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়।
    ▶️ কোন নোবেল পুরস্কারটি Sveriges Riksbank (সুইডিশ ন্যাশনাল ব্যাংক) এর সুপারিশে প্রদান করা হয়?
    Ans: অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারটি Sveriges Riksbank (সুইডিশ ন্যাশনাল ব্যাংক) এর সুপারিশে প্রদান করা হয়

    ✴️ কোন নোবেল পুরষ্কারটিকে ভেরিজ রিক্সবাঙ্ক পুরস্কার বলে অভিহিত করা হয়?
    Ans: অর্থনীতিতে নোবেল পুরষ্কারটিকে ভেরিজ রিক্সবাঙ্ক পুরস্কার বলে অভিহিত করা হয়।
    ✴️ প্রতিটি নোবেল পুরস্কার সর্বোচ্চ কতজন বিজয়ী ভাগ করে নিতে পারেন?
    Ans: প্রতিটি নোবেল পুরস্কার সর্বোচ্চ তিনজন বিজয়ী ভাগ করে নিতে পারেন।
    ▶️ দুটি ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে কারা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ?
    Ans: দুটি ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত দুইজন নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। প্রথম জন মেরি কুরি যিনি পদার্থবিদ্যা ও রসায়নে এবং লিনাস পলিং যিনি রসায়ন ও শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন।

    ভারতের সাথে কোনও না কোনও যোগসূত্র আছে এমন ভারতীয় নোবেল বিজয়ীদের তালিকা

    ক্ষেত্রপ্রাপকসময়নাগরিক
    চিকিৎসা বিজ্ঞানরোনাল্ড রস1968U.k.
    (জন্ম – আলমোরা)
    সাহিত্যরুডইয়ার্ড কিপলিং1902U.K.
    (জন্ম – বোম্বাই)
    শান্তিদলাই লামা1989ভারত (জন্ম – চীন)
    সাহিত্যভি. এস. নাইপল2001U.K. (ভারতীয় বংশোদ্ভূত)

    ভারতীয় উপমহাদেশের নোবেল বিজয়ীদের তালিকা

    ক্ষেত্রপ্রাপকসময়নাগরিক
    পদার্থবিদ্যাআব্দুস সালাম1979পাকিস্তান
    শান্তি ড. মুহাম্মদ ইউনূস2006বাংলাদেশ
    শান্তিমালালা ইউসুফজাই2014পাকিস্তান

    ✴️ অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় কত সালে?
    Ans: অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬৯ সালে।
    ✴️ পিতা ও পুত্র একত্রে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন কারা?
    Ans: স্যার উইলিয়াম হেনরি ব্র্যাগ এবং তার ছেলে উইলিয়ন লরেন্স ব্র্যাগ 1995 সালে একসাথে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ভাগ করে নেন।
    ▶️ কোন দিনটি নোবেল পুরস্কার দিবস হিসাবে পালন করা হয়?
    Ans: ১০ই ডিসেম্বর নোবেল পুরস্কার দিবস হিসাবে পালন করা হয়

    ✴️ সবচেয়ে বেশি বয়সে কে নোবেল পুরস্কার পান?
    Ans: লিওনিড হারউইকজ সবচেয়ে বেশি বয়সে কে নোবেল পুরস্কার পান।
    ✴️আলফ্রেড নোবেল কত সালে মৃত্যু বরণ করেন?
    Ans: আলফ্রেড নোবেল ১০ই ডিসেম্বর ১৮৯৬ সালে  মৃত্যু বরণ করেন।
    ▶️ নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের কী কী প্রদান করা হয়?
    Ans: নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের একটি স্বর্ণপদক, উদ্ধৃতি সহ একটি ডিপ্লোমা এবং নোবেল ফাউন্ডেশন কর্তৃক কিছু পরিমাণ অর্থ [11 মিলিয়ন সুইডিশ ক্রাউন ($1.1 মিলিয়ন)] প্রদান করা হয় যার পরিমাণ নোবেল ফাউন্ডেশনের আয়ের উপর নির্ভর করে।

  • দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    Class X Physical Science দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল সূত্রাবলী

    এই post-এ দশম শ্রেণির ভৌত বিজ্ঞানের সকল অধ্যায়ের প্রতিটি সূত্র পরপর দেওয়া হল। এতে তোমরা একজায়গায় সমস্ত সূত্রগুলো পেয়ে যাবে যা তোমাদের পরীক্ষা প্রস্তুতিতে সাহায্য করবে। পরবর্তী post-এ প্রতিটি সূত্র নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং তার উপর বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া থাকবে।

    গ্যাসের আচরণ

    বয়েলের সূত্র:

    স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের চাপের সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।

    চার্লসের সূত্র:

    স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসের জন্য 0°C উষ্ণতায় গ্যাসের যে আয়তন হয় তার 1/273 অংশ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

    কেলভিন স্কেলের সাপেক্ষে চার্লসের সূত্রের বিকল্প রূপ:

    স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের কোনাে গ্যাসের আয়তন তার পরম উষ্ণতাার সঙ্গে সমানুপাতিক হয়।

    অ্যাভোগ্যাড্রো সূত্র:

    একই উষ্ণতা ও চাপে সমআয়তন সকল গ্যাসে সমান সংখ্যক অনু থাকে।

    গে-লুসাকের চাপের সূত্র:

    স্থির আয়তনে 1°C উষ্ণতা বৃদ্ধি বা হ্রাসের জন্য যে-কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ 0°C উষ্ণতায় ওই গ্যাসের যে চাপ থাকে যথাক্রমে তার 1/273 অংশ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।

    গে-লুসাকের গ্যাসায়তন সূত্র:

    একই উষ্ণতা ও চাপে গ্যাসীয় বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী বিক্রিয়ক গ্যাসগুলি তাদের আয়তনের সরল অনুপাতে বিক্রিয়া করে এবং বিক্রিয়াজাত পদার্থ যদি গ্যাসীয় হয়, তাহলে ঐ একই উষ্ণতা ও চাপে বিক্রিয়াজাত পদার্থের আয়তন বিক্রিয়কগুলির আয়তনের সঙ্গে সরল অনুপাতে থাকে।

    রাসায়নিক গণনা

    ভরের সংরক্ষণ সূত্র বা নিত্যতা সূত্র:

    যে-কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থসমূহের মোট ভর বিকারক পদার্থ সমূহের মোট ভরের সমান হয় অর্থাৎ বিক্রিয়ার ফলে মোট ভরের কোন পরিবর্তন হয় না।

    ভর ও শক্তির নিত্যতা সূত্র:

    কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার আগে ও পরে, পদার্থের ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ সর্বদা সমান থাকে। মহাবিশ্বে ভর ও শক্তির মোট পরিমাণ ধ্রুবক ও অপরিবর্তনীয়।

    আলো

    প্রতিফলনের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিফলিত রশ্মি এবং আপাতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব সর্বদা একই সমতলে থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র: আপাতন কোন ও প্রতিফলন কোন সর্বদা সমান হয়।

    প্রতিসরণের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: আপতিত রশ্মি, প্রতিসৃত রশ্মি এবং আপাতন বিন্দুতে দুই মাধ্যমের বিভেদতলের উপর অঙ্কিত অভিলম্ব সর্বদা একই সমতলে থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র(স্নেলের সূত্র): দুটি নির্দিষ্ট মাধ্যম ও নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর ক্ষেত্রে আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরন কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুবক হয়।

    র‍্যালের সূত্র:

    বিক্ষিপ্ত আলোর তীব্রতা(I) সংশ্লিষ্ট আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের(λ) চতুর্থঘাতের ব্যস্তানুপাতিক হয়।

    আমাদের YOUTUBE CHANNEL দেখার জন্য এখানে ক্লিক করো। 

    চল তড়িৎ

    কুলম্বের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: সমজাতীয় তড়িতাধান পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং বিপরীতধর্মী তড়িতাধান পরস্পরকে আকর্ষণ করে।
    দ্বিতীয় সূত্র: দুটি স্থির বিন্দু আধানের মধ্যে কার্যকর আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল আধান দুটির পরিমাণের গুণফলের সমানুপাতিক এবং আধান দুটির মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক হয়।  এই বল আধান দুটির সংযোজক রেখা বরাবর ক্রিয়া করে এবং এই বলের মান পারিপার্শ্বিক মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে।

    ওহমের সূত্র:

    উষ্ণতা ও অন্যান্য ভৌত অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে কোনাে পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রা, ওই পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতী হয়।

    তড়িৎপ্রবাহের তাপীয় ফল সংক্রান্ত জুলের সূত্রাবলী:

    ইংরেজ পদার্থবিদ জেমস্ প্রেসকট জুল 1841 খ্রিস্টাব্দে তড়িৎপ্রবাহের তাপীয় ফল সংক্রান্ত তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। সূত্রগুলি হল-
    (i) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রার (I) বর্গের সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর রােধ (R) ও তড়িৎপ্রবাহের সময় (t) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ I2. . . [যখন R এবং t ধ্রুবক]
    (ii) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর রোধের (R) সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহমাত্রা (I) ও তড়িৎপ্রবাহের সময় (t) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ R. . . [যখন I এবং t ধ্রুবক]
    (iii) কোনাে পরিবাহীতে উৎপন্ন তাপ (H) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহের সময়ের (t) সমানুপাতি হয় যখন পরিবাহীর রােধ (R) ও তড়িৎপ্রবাহমাত্রা (I) অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ H ∝ t . . . [যখন R এবং I ধ্রুবক]

    অ্যাম্পিয়ারের সন্তরণ নিয়ম:

    যদি কোন সাঁতারু তড়িৎবাহী তার বরাবর তড়িৎপ্রবাহের অভিমুখে হাত ছড়িয়ে এমনভাবে সাঁতার কাটে যে তার মুখ সর্বদা চুম্বক শলাকার দিকে থাকে তাহলে চুম্বক শলাকার উত্তর মেরু তার বাঁ হাতের দিকে বিক্ষিপ্ত হবে।

    দক্ষিণ মুষ্টি নিয়ম:

    যদি কোন তড়িৎবাহী তারকে ডান হাতের মুষ্টি দিয়ে এমন ভাবে ধরা হয় যাতে বুড়ো আঙ্গুল তড়িৎ প্রবাহের অভিমুখ নির্দেশ করে তাহলে অন্যান্য আঙুলগুলি বলরেখা অভিমুখে তারটিকে ঘিরে রাখে। বলরেখা চৌম্বক ক্ষেত্র নির্দেশ করে এবং বলরেখা অভিমুখে চুম্বক শলাকার উত্তর মেরু বিক্ষিপ্ত হয়।

    ফ্লেমিং এর বাম হস্ত নিয়ম:

    বামহস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলি, মধ্যমা এবং তর্জনীকে পরস্পরের সঙ্গে সমকোণে রেখে প্রসারিত করলে যদি তর্জনি চৌম্বকক্ষেত্রের দিক এবং মধ্যমা তড়িৎপ্রবাহের দিক নির্দেশ করে, তবে বৃদ্ধাঙ্গুলি পরিবাহীর গতির অভিমুখ নির্দেশ করবে। একে মোটর নিয়মও বলে।

    তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ সংক্রান্ত ফ্যারাডের সূত্রাবলী:

    প্রথম সূত্র: কোনো বদ্ধ কুণ্ডলীর সঙ্গে জড়িত চৌম্বক প্রবাহের পরিবর্তন হলে ঐ কুন্ডলীতে তড়িৎচালক বল আবিষ্ট হয়, এই পরিবর্তন যতক্ষণ চলতে থাকে ততক্ষণ আবিষ্ট তড়িৎচালক বল বর্তমান থাকে।
    দ্বিতীয় সূত্র: আবিষ্ট তড়িৎচালক বলের মান কুন্ডলীর সঙ্গে জড়িত চৌম্বক প্রবাহের পরিবর্তনের হারের সঙ্গে সমানুপাতিক হয়।

    শক্তির নিত্যতা সূত্র হিসেবে লেঞ্জের সূত্র:

    তড়িৎ চুম্বকীয় অবেশের ফলে সৃষ্ট আবিষ্ট তড়িৎপ্রবাহের অভিমুখ এমন হয় যে এটি নিজের সৃষ্টির কারনকে বাধা দেয়।

    পর্যায় সারণি

    ডোবেরাইনারের ত্রয়ী সূত্র:

    ধর্মের সাদৃশ্য আছে এমন প্রতি তিনটি মৌলের মাঝের মৌলটির পারমাণবিক গুরুত্ব মোটামুটিভাবে অপর মৌল দুটির পারমাণবিক গুরুত্বের গড়ের সমান হয়।

    নিউল্যান্ডসের অষ্টক সূত্র:

    মৌলগুলোকে ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক ভর অনুসারে সাজালে, যে কোনো একটি মৌল হতে শুরু করলে প্রতি অষ্টম মৌলের পরে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

    মেন্ডেলিভের পর্যায় সূত্র:

    মৌলসমুহেযর ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি মৌলগুলির ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক গুরুত্বের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্ত হয়।

    মেন্ডেলিভের সংশোধিত আধুনিক পর্যায় সূত্র:

    মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি মৌলগুলির ক্রমবর্ধমান পরমাণু ক্রমাঙ্কের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্ত হয়।

error: Content is protected !!
Verified by MonsterInsights